|
|
| |
|
|
| |
|
|
| |
আপাতত কিছুই নেই! |
|
| |
|
|
| |
|
|
| |
পোলট্রি নীতিমালা আলোর মুখ দেখবে তো ? |
| পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালার খসড়া হয়েছে। আন্ত:ন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এ নীতিমালাকে অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে কেবিনেট পর্যায়ে যেয়েও নীতিমালাটি ফেরত আসে এবং বৈঠকে এ খসড়া নীতিমালার কয়েকটি ধারা সামান্য রদবদলের পরামর্শ দেয়। ফলে ধারাগুলো সংশোধন করে তা আবার পাঠানো হয়েছে। নীতিমালা অনুমোদনের ব্যাপারে সবাই নীতিগতভাবে একমত হলেও উপদেষ্টা পরিষদের লিখিত অনুমোদন এখনও বাকী। সে ধাপটি পার হলে এবং রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলে এটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনে পরিণত হবে। আর তখন পূরণ হবে নীতিমালা নিয়ে দেশের পোলট্রি খামারিদের দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা। কিন্তু বার বার হোঁচট খাওয়ার ফলে নীতিমালাটি চূড়ানত্ম আলোর মুখ দেখবে কী না সে ব্যাপারে শঙ্কা থেকেই যায়। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
একজন কামরুল ইসলামের পথচলা |
| ঢাকা থেকে সরাসরি হানিফ পরিবহনে খুলনা। খুলনা থেকে বাসে ডুমুরিয়ার উদ্দেশে রওনা করলাম সকাল ৭টায়। একটু পরে বিশাল এক প্রবেশ তোরণ আমাদের চোখে পড়লো। তোরণে লেখা আলোকিত আন্দুলিয়া। আর পাঁচটা গ্রামের মতো হলেও এ গ্রামের প্রবেশ তোরণটি ভিন্নতার দাবী রাখে। আমাদের গন্তব্য এবারের আন্দুলিয়া গ্রাম। যেখানে শুরু হয়েছে এই অঞ্চলের গুণীজনদের সংবর্ধনা। ঢাকা থেকে এসেছেন আরো কয়েকজন গুণী মানুষ। গায়িকা ফরিদা পারভীন, বাশরী, হাকিম ভাইসহ আরো অনেকে। সকাল ৮টা বাজতেই আন্দুলিয়া যেন জেগে ওঠে। পুরো গ্রামটা ছবির মতো সাজানো। প্রতি বাড়ির বাইরেরটা দেখে মনে হয় যেন নিঃসর্গ ঘেরা একটি গ্রাম। বিভিন্ন ধরনের পুষ্প পলস্নবে শোভিত এটি এখন একটি আদর্শ গ্রাম। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
গঙ্গা - কপোতাক্ষ সেচ খাল
মাছ চাষের উদ্যোগ জরুরি |
| ছোট্ট পরিসরে বাংলাদেশে বিরাট জনগোষ্ঠির দৈনন্দিন প্রোটিন চাহিদার যোগান দেয়া দূরহ হয়ে পড়েছে। কেননা প্রোটিনের উৎপাদন যতটা না বাড়ছে, তার চেয়ে বেশি বাড়ছে মুখ। দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রানীজ প্রোটিনের ৮০ ভাগ আসে মাছ থেকে। যদি মানুষের প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদিত এই মাছের অপর একটা অংশ শুধু উদ্যোগ গ্রহণের অভাবে উৎপাদন বঞ্চিত হয়, তাহলে তা অভাবি জাতির জন্য দুঃসংবাদ ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের দেশের মানুষের প্রতিদিনের মাছ গ্রহণের পরিমাণ যেখানে কমছে, সেখানে ক্ষেত্র চিহ্নিত করে প্রতিটি জলাশয়কে উৎপাদনের আওতায় আনলে তা প্রোটিনের চাহিদা পূরণে বেশি সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
জাতীয় কৃষি দিবস: প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা |
ইতিহাস আর ঐতিহ্যে বাংলার কৃষি...
বাংলার চাষি শতকরা আশি যদি টানে পিছে বাকি বিশে মিলে দেশ গড়া যাবে একথাটি মিছে। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
উপকূলীয় মানুষের ভাবনা
সিডর : দুর্গত জেলেরা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে |
| সিডর মহাপ্রলয়ের পরে থম্কে যাওয়া বাংলাদেশ এখন ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। জনগণ এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামো সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রসত্মদের পুনর্বাসন। শোক, দুঃখকে পেছনে ফেলে জীবন ও জীবিকার প্রত্যাশায় সামনে এগিয়ে যাওয়া। আমাদের জীবনযাত্রার স্বাভাবিক নিয়মের যে ছন্দ-পতন ঘটেছিল তাকে সাবলিল করা। ২০০৭ সালে ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, গোপালগঞ্জ, শরিয়তপুর, বাগেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, সাতক্ষীরা, খুলনা, ঝালকাঠিতে সিডর মহাপ্রলয় শেষে তার ধ্বংসযজ্ঞ এখনও বুকফাটা আহাজারিতে প্রকম্পিত। এখানকার অর্থনীতির বিকল চাকা সচল হয়ে আসতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে অনেক আগ থেকেই। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
পিয়াজ ও রসুনের ভাইরাস সংক্রমন এবং করণীয় |
| বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৭০ প্রকার মসলা চাষাবাদ হয়। বাংলাদেশে প্রায় ২৭ প্রকার মসলা চাষ হয়ে থাকে। উৎপাদন এলাকা, ফলন ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে পিয়াজ, রসুন, মরিচ ও হলুদ প্রধান এবং অন্যান্য মসলা ফসলকে অপ্রধান হিসাবে দেশে গণ্য করা হয়। তবে সারা বিশ্বেই পিঁয়াজ ও রসুন অন্যতম প্রধান মসলা ফসল। পিয়াজ ও রসুন একটি মূল্যবান অর্থকরী ফসল এবং এর চাষ পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র দেখা যায়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রান্নার কাজে ব্যবহার্য এবং বহু গুণে নন্দিত এই ফসলের ব্যবহার নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। এগুলো রান্নার স্বাদ, গন্ধ ও রম্নচি বৃদ্ধিতে উলেস্নখযোগ্য ভূমিকা রাখে। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
চলতি সময়ে কৃষিতে যা যা করণীয় |
পোলট্রি
পৌষ মাস শুরম্ন হতে চলেছে। হাঁটি হাঁটি পা করে শীত বেশ জাঁকিয়ে বসে এ মাসে। এ মাসে পোলট্রির নানা সমস্যা ও করনীয় সম্পর্কে আসুন কিছু আলোচনা করা যাক। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
জীবাণু সার |
| জীবাণু দিয়ে তৈরিকৃত সারই হচ্ছে জীবাণু সার। গত ৩৬ বছর যাবত এদেশে জীবাণু সারের ওপর গবেষণা হলেও আজ পর্যনত্মও এই সার কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছায়নি। যেহেতু এই সার শুধু ডালজাতীয় ফসল এবং চীনাবাদামে ব্যবহার হয় সেহেতু এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু কৃষকরা এই সারের খবর পায়নি। ভারতে ৭২টি জীবাণু সারের সরকারি ও বেসরকারি কারখানা রয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই আছে ৬টি। থাইল্যান্ড, ভারতের কিছু অংশ, অস্ট্রিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জীবাণুসার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। বিস্তারিত |
 |
|
|
| |
|
|
| |
|
|
|
|